Header Ads

Header ADS

প্রিয় নবী ﷺ’র সব সাহাবী, জান্নাতী জান্নাতী


কুরআনের হুকুম অনুযায়ী প্রত্যেক সাহাবী জান্নাতী। আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন:


﴿لَا یَسۡتَوِیۡ مِنۡکُمۡ مَّنۡ اَنۡفَقَ مِنۡ قَبۡلِ الۡفَتۡحِ وَ قٰتَلَ ؕ اُولٰٓئِکَ اَعۡظَمُ دَرَجَۃً مِّنَ الَّذِیۡنَ اَنۡفَقُوۡا مِنۡۢ بَعۡدُ وَ قٰتَلُوۡا ؕ وَ کُلًّا وَّعَدَ اللّٰہُ الۡحُسۡنٰی ؕ وَ اللّٰہُ بِمَا تَعۡمَلُوۡنَ خَبِیۡرٌ﴾

কানযুল ঈমান থেকে অনুবাদ: “ তোমাদের  মধ্যে সমান নয় ঐ সব লোক,    যারা মক্কা  বিজয়ের পূর্বে ব্যয়  ও জিহাদ করেছে; তারা মর্যাদায় ওই সব লোক অপেক্ষা  বড়,   যারা  বিজয়ের  পর  ব্যয়  ও  জিহাদ  করেছে  এবং  তাদের      সবার      সাথে      আল্লাহ্‌     জান্নাতের ওয়াদা   করেছেন    এবং   আল্লাহ্‌    তোমাদের কৃত কর্মগুলো সম্পর্কে অবহিত আছেন। ”

(সূরা হাদীদ: আয়াত: ১০)


এই পবিত্র আয়াতে দুই প্রকার সাহাবীর বর্ণনা করা হয়েছে এবং তাঁদের সবার জন্য “ حُسۡنٰی ” অর্থাৎ জান্নাতের ওয়াদা করা হয়েছে। وَ کُلًّا وَّعَدَ اللّٰہُ الۡحُسۡنٰی ؕ  (অনুবাদ: এবং তাঁদের সবার সাথে আল্লাহ পাক জান্নাতের ওয়াদা করেছেন) শায়খ আহমদ সাবী মালিকি رَحۡمَۃُ اللّٰہ ِتَعَالٰی عَلَیہِ  এ আয়াতে পাকের ব্যাখ্যায় বলেন: “ অর্থ এটা যে সেই সকল সাহাবায়ে কিরাম عَلَیۡہِمُ الرِّضۡوَان যারা মক্কা বিজয়ের পূর্বে ঈমান এনেছে। এবং আল্লাহর রাস্তায় ব্যয় করেছে এবং যারা মক্কা বিজয়ের পর ঈমান এনেছে এবং আল্লাহর রাস্তায় ব্যয় করেছে, আল্লাহ পাক তাদের সকলের সাথে ওয়াদা করেছেন। ”
(তাফসীরে সাবী, ২য় খন্ড, ২১০৪ পৃষ্ঠা) 

মুফতি আহমদ ইয়ার খান رَحۡمَۃُ اللّٰہ ِتَعَالٰی عَلَیہِ এই আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেন: সেই (সাহাবাগণ) এদের মর্যাদা যদিও ভিন্ন হয় কিন্তু তাঁরা সবাই জান্নাতী হওয়াতে কোন সন্দেহ নেই কেননা আল্লাহ পাক ওয়াদা করেছেন। সমস্ত সাহাবী عَلَیۡہِمُ الرِّضۡوَان ন্যায়পরায়ন ও মুত্তাকী, কেননা সবার সাথে আল্লাহ পাক জান্নাতের ওয়াদা করেছেন, জান্নাতের ওয়াদা ফাসিকদের সাথে হয় না। যারা ঐতিহাসিক ঘটনার মধ্য হতে কোন ঘটনাকে কেন্দ্র করে কোন সাহাবীকে ফাসিক প্রমাণ করবে (মূলত সেই) মিথ্যুক, এবং কোরআন সত্য। (এবং আল্লাহ পাক তাদের তাওবার সামর্থ্য দান করুক এবং সে গুনাহে যেন লিপ্ত না থাকে।) 
(নুরুল ইরফান, বর্ণিত আয়াতের ব্যাখ্যা)

সাহাবী থেকে কোন অলীই বড় হতে পারে না 

“ বাহারে শরীয়াত ” এ রয়েছে: সকল সাহাবায়ে কিরাম عَلَیۡہِمُ الرِّضۡوَان কল্যাণের ধারক ও ন্যায়নিষ্ট। তাঁদের যখন আলােচনা করা হবে তখন মঙ্গলময় (আলােচনা) করা “ ফরয ”। কোন সাহাবীর ব্যাপারে মন্দ আকীদা পােষণ করা বদমাযহাবী, পথভ্রষ্টতা ও জাহান্নামের অধিকারী সাব্যস্ত হওয়া কেননা, তা (মন্দ আকীদা) রাসূলে পাক এর সাথে বিদ্ধেষ (শত্রুতা) পােষণ করার নামান্তর। কোন “ অলী ” যতই উচ্চ মর্যাদার হােক না কেনাে, কোন সাহাবীর মর্যাদা পর্যন্ত পৌঁছাতে পারবে না।

(বাহারে শরীয়াত, ১/২৫২-২৫৩)

No comments

Powered by Blogger.