খাওয়ার অনুষ্ঠান ও নামায
যখনই আপনাদের এলাকায় নেয়াজ বা কোন ধরণের অনুষ্ঠান হয়, নামাযের জামাআতের সময় হওয়ার সাথে সাথে শরীয়াত সম্মত কোন বাঁধা না থাকে, তাহলে ইন্ফিরাদী কৌশিশের মাধ্যমে সবাইকে এক সাথে জামাআতের জন্য মসজিদে নিয়ে যাবেন। বরং এমন কোন দাওয়াতে যাবেন না, যে অনুষ্ঠানে গেলে আল্লাহর পানাহ! নামাযের সময় জামাআত সহকারে নামায পড়ার সুযোগই থাকে না। দুপুরের ভোজে জোহর নামাযের পরে এবং সন্ধ্যাকালীন ভোজে ইশার নামাযের পরে মেহমান দাওয়াত দিলে জামাআত সহকারে নামায পড়ার ক্ষেত্রে সুবিধা হয়। দাওয়াত দাতা, বাবুর্চি, সেচ্ছাসেবক সকলেরই উচিত জামাআতের সময় হওয়ার সাথে সাথেই কাজ বাদ দিয়ে জামাআত সহকারে নামায আদায় করতে চলে যাওয়া। বুযুর্গদের নেয়াজের অনুষ্ঠানে ব্যস্ত থেকে আল্লাহ্ তাআলার জন্য আদায় করতে যাওয়া নামায জামাআতের সাথে আদায় করার ক্ষেত্রে অলসতা করা নিতান্তই গুনাহ্।
__________________________
‘নামাযের আহকাম’ বইয়ের নং পৃষ্ঠা হতে সংগৃহীত। বইটির পিডিএফ ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন। আরো ইসলামিক বই পেতে এখানে যান।
‘নামাযের আহকাম’ বইয়ের নং পৃষ্ঠা হতে সংগৃহীত। বইটির পিডিএফ ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন। আরো ইসলামিক বই পেতে এখানে যান।

No comments